দেশে ১৯ বছর (প্রাপ্তবয়স্ক) হওয়ার আগেই বাল্যবিয়ের শিকার ৫৬ শতাংশ কিশোরী গর্ভধারণ করছে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গর্ভধারণের পরও অপ্রাপ্তবয়স্ক এসব কিশোরী পরিবার ও সমাজে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ‘পেডিয়াট্রিক অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্ট গাইনকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ’র (পিএজিএসবি) প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন।
পিএজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. কোহিনুর বেগম বলেন, ১০ থেকে ১৯ বছরের কিশোরীদের যেসব গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যা হয়, আমাদের সেগুলো চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নেই। দেশে এই বয়সির সংখ্যা এক-পঞ্চমাংশ। তারা প্রজনন ক্ষমতা, গর্ভধারণ, মানসিক স্বাস্থ্য, পুষ্টিহীনতা এবং নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক সহিংসতার শিকার হয়। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
অন্য চিকিৎসকরা বলেন, প্রসূতি মৃত্যুর প্রধান কারণ রক্তক্ষরণ। আবার দেশে দক্ষ মিডওয়াইফ (প্রশিক্ষিত ধাত্রী) সংকট রয়েছে। এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় প্রসূতিকে অন্তত আটবার চেকআপ করানো উচিত। কিন্তু দেশে মাত্র ৪৭ শতাংশ মানুষ প্রসূতিকে চিকিৎসক দেখাচ্ছেন এবং তারা মাত্র চারবার চেকআপ করাচ্ছেন।
-সংগৃহীত ।
